এখন হাতি পানিতে পড়ে থাকলেও খবর হয়… - সময়ের সংলাপ24
DHAKA WEATHER

Post Bottom Ad

খুব শীগ্রই আমরা Somoyersonglap24.com ওয়েবসাইট নিয়ে আসছি..

এখন হাতি পানিতে পড়ে থাকলেও খবর হয়…

Share This
কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর আবদুল কাদের সিদ্দিকী বীর উত্তম বলেছেন, ’আজকে যারা বঙ্গবন্ধুর ভক্ত সেজেছেন তারাই ’৭৫ সালে তাকে হত্যার পথ প্রশস্ত করেছিলেন।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বীর উত্তম মঙ্গলবার বিকেল ৫টায় ধানমণ্ডির বঙ্গবন্ধু জাদুঘরে যান। এসময় তিনি শোকাবহ আগস্ট সম্পর্কে প্রতিক্রিয়া জানান সাংবাদিকদের কাছে।

বঙ্গবীর এসময় আরও বলেন, ’মাফ করবেন। আমি ১৫ আগস্ট ঘর থেকে বের হই না, কিছু খাই না, কারো সাথে দেখা করি না। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর তার অনেক ভক্ত আসতে পারেননি। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর যখন কেউ কথা বলত না, গাছের পাতাও নড়ত না, সেই সময় প্রতিবাদ করেছিলাম। দীর্ঘ ১৬ বছর নিজের ঘরে পা দিতে পারিনি। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর আজও বেঁচে আছি; এই অপরাধে দয়া করে যা খুশি তা প্রশ্ন করবেন না।’ ১৫ আগস্ট কেন এখানে আসেননি- একজন সাংবাদিকের এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি এ মন্তব্য করেন।

কত দিন পর বঙ্গবন্ধু জাদুঘরে এলেন সাংবাদিকদের এ প্রশ্নের জবাবে কাদের সিদ্দিকী বলেন, ’মাঝে মধ্যেই আসি আপনারা খোঁজ রাখেন না। এখন হাতি পানিতে পড়ে থাকলেও খবর হয়। মানুষ না খেয়ে থাকলে খবর হয় না।’

বঙ্গবীর বলেন, ১৫ আগস্ট তার হত্যার পর যারা প্রতিবাদ করেছিল, তারা সেদিন হয়েছিল দুষ্কৃতিকারী । কারো কারো জেল, জরিমানা, ফাঁসি হয়েছিল। তিনি সরকারের কাছে প্রশ্ন রেখে বলেন, আমরা কি এখন দুষ্কৃতিকারী না দেশপ্রেমিক?

বর্তমান সঙ্কটের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীকে উদ্যোগ নেয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ’বর্তমানের চেতনা ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা এক জিনিস নয়। মুক্তিযুদ্ধের সময় জাতি এক হয়েছিল বলেই আমরা জয়লাভ করেছিলাম। তাদের তুলনায় আমাদের অস্ত্রের শক্তি তেমন ছিল না। কিন্তু আমাদের রক্ত দেয়া, জীবন দেয়ার ও একে-অপরকে ভালোবাসার শক্তি ছিল অনেক বেশি। আজকে সেটা নেই। আজকে জাতীয় চেতনা, সবাইকে ঐক্যবদ্ধ করার উদ্যোগ প্রধামন্ত্রীর নেয়া দরকার। এই উদ্যোগ নিয়ে তিনি যদি সফল হন, তাহলে সারা বিশ্বে তার নাম থাকবে।

খালেদা জিয়ার জন্মদিন প্রসঙ্গে কাদের সিদ্দিকী বলেন, ’খালেদা জিয়া যদি বঙ্গবন্ধুর প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে এবং তার হত্যার ঘটনায় মর্মাহত হয়ে জন্মদিন পালন না করে থাকেন, তাহলে সেটা সাধুবাদ পাওয়ার যোগ্য। বঙ্গবন্ধুর মৃত্যুবার্ষিকী সার্বজনীনভাবে সবার পালন করা উচিত।