স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, আজ সন্ধ্যার দিকে শহরের জননী বাস টার্মিনালে উপজেলা ও পৌর আওয়ামী লীগ জাতীয় শোক দিবসের আলোচনা সভার আয়োজন করে। এ সময় সভাস্থলের বাইরে কথা-কাটাকাটির জের ধরে উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি কামরুল হাসান ও সাধারণ সম্পাদক মেহেদি হাসানের অনুসারীদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়।
জানতে চাইলে রামগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি কামরুল হাসান বলেন, নিজেদের মধ্যে ভুল–বোঝাবুঝির কারণে এমনটি ঘটেছে।
২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বরের নির্বাচনে মহাজোট সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই ছাত্রলীগে অন্তঃকোন্দল ও সংঘর্ষ বেড়ে যায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে। ২০০৯ সালের ১ জানুয়ারি থেকে গত সাড়ে সাত বছরে প্রথম আলোয় প্রকাশিত প্রতিবেদন ঘেঁটে দেখা গেছে, ওই বছর থেকে ১ আগস্ট পর্যন্ত ছাত্রলীগের সঙ্গে প্রতিপক্ষ বা নিজেদের মধ্যে প্রায় ৫০০ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এসব সংঘর্ষে মোট ৭১ জন মারা যান। এর মধ্যে ৫৫ জনই নিহত হন নিজেদের কোন্দলে।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন