চীনা সৈন্যদের প্রধান সমস্যাই হচ্ছে ফাস্ট ফুড খাওয়া এবং হস্তমৈথুন। গত বছর চীনা সেনাবাহিনীর পত্রিকা 'পিপলস লিবারেশন আর্মি ডেইলি'র এক রিপোর্ট থেকে এই তথ্য জানা গেছে।
ওই পত্রিকার এক সম্পাদকীয়তে বলা হয়েছে, নিম্নমানের খাবার, দীর্ঘ সময় কম্পিউটার গেমস খেলা, মাত্রাতিরিক্ত হস্তমৈথুন এবং শারীরিক পরিশ্রমের অভাবই তরুণ সৈন্যদের ফিটনেস টেস্টে অনুত্তীর্ণ হবার সংখ্যা বেড়ে যাবার কারণ।
এছাড়া সেনাবাহিনীর নতুন প্রার্থীদের ২০ শতাংশ ওজন পরীক্ষায় ফেল করেছে। কিছু সৈন্য ৫ কিলোমিটারের দূরপাল্লার দৌড় শেষ করতে পারেনি।
ওজন সমস্যায় ভুগছে যুক্তরাষ্ট্র, ইরান ও ভারতের সেনা সদস্যরাও।
র্যান্ড কর্পোরেশন নামে একটি আন্তর্জাতিক থিংক ট্যাংকের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মার্কিন সৈন্যদের ৬৬ শতাংশের ওজনই মাত্রাতিরিক্ত বেশি।
এমন এক সময় এই হিসেব বেরুলো যখন আমেরিকান তরুণদের বেশিরভাগই সেনাবাহিনীতে যোগ দিতে আগ্রহী নয়। ২০১৭ সালে ১৬ থেকে ২৪ বছরের মার্কিনীদের মধ্যেমাত্র ১১ শতাংশ সামরিক বাহিনীতে যোগ দেবার আগ্রহ দেখিয়েছে। এদের মধ্যে যারা নিয়োগের পরীক্ষায় বাতিল হয়েছে তাদের এক তৃতীয়াংশই বাদ পড়ে অতিরিক্ত মোটা হবার কারণে।
ইরানের সৈন্যদেরও ওজন সমস্যা আছে। গত জানুয়ারি মাসে বিএমসি পাবলিক হেলথ নামে এক জার্নালের নিবন্ধে বলা হয়, ইরানে ৪১ শতাংশ সেনার ওজন আদর্শ মাত্রার চেয়ে বেশি। আর ১৩ শতাংশ রীতিমত স্থূলকায়।
একই ধরনের সমস্যায় ভুগছে ভারতীয় ও ব্রিটিশ সেনা সদস্যরাও।
২০১৬ সালের এক জরিপে দেখা যায় ভারতে এক তৃতীয়াংশ সেনাই মোটা। এই জরিপ প্রকাশের পর গত বছরের এপ্রিল থেকে সৈন্যদের খাবার দাবারের ক্ষেত্রে কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে।
সূত্র: বিবিসি বাংলা
-সময়ের সংলাপ২৪/ডি-এইচ