ফরিদপুরে আপন ১৩ বছর বয়সী মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগে লম্পট বাবা কারাগারে - সময়ের সংলাপ24
DHAKA WEATHER

Post Bottom Ad

খুব শীগ্রই আমরা Somoyersonglap24.com ওয়েবসাইট নিয়ে আসছি..

ফরিদপুরে আপন ১৩ বছর বয়সী মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগে লম্পট বাবা কারাগারে

Share This

কোথায় যাচ্ছে দেশ ? বাবার কাছেও কেন নিরাপদ থাকছেনা আপন মেয়ে ? সন্তানের কাছে যে বাবা সকল নিরাপত্তার প্রতীক সেই বাবার কাছেই আপন মেয়ে অনিরাপদ কেন ? এ সকল প্রশ্নের সঠিক উত্তর কি ? সমাধানের পথও বা কি ?

ফরিদপুরে আপন ১৩ বছর বয়সী মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগে লম্পট বাবাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। মেয়েটি দীর্ঘদিন ধরে ধর্ষণের শিকার হচ্ছিল ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন করে চিকিৎসকরা এটা নিশ্চিত হয়েছে।

থানার এজাহার সূত্রে জানা যায়, তিন থেকে চার মাস আগে গোপালগঞ্জের কাশিয়ানি উপজেলার এক ব্যক্তি তাঁর পরিবার নিয়ে ফরিদপুর শহরের এক বাড়িতে ঘর ভাড়া নিয়ে বসবাস করছিলেন। এর মধ্যে এক মাস আগে মেয়েটির মা তার বাবার সঙ্গে ঝগড়া করে বাসা থেকে বের হয়ে যায়। এই সময় বাবা ও মেয়ে এক বিছানায় থাকতে শুরু করে। এক মাস ধরে জন্মদাতা বাবার হাতে ধর্ষণের শিকার হচ্ছিল মেয়েটি।

গত ১ সেপ্টেম্বর রাত সাড়ে ১১টার দিকে ওই ব্যক্তি মেয়েকে প্রতিদিনের মতো ধর্ষণ করতে গেলে মেয়েটি চিৎকার করতে থাকে। পরে প্রতিবেশী ও বাড়ির মালিক মেয়েটিকে দেখতে আসে। মেয়েটি তাদের কাছে সব ঘটনা খুলে বলে। পরে বাসার মালিক ও প্রতিবেশীরা ফরিদপুর কোতোয়ালি থানাকে জানালে পুলিশ এসে ওই ব্যক্তিকে আটক করে নিয়ে যায়।

আটকের পর ওই ব্যক্তি পুলিশের কাছে মেয়েকে ধর্ষণের ঘটনা স্বীকার করলে তাকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়।

এ ব্যাপারে ফরিদপুর কোতোয়ালি থানার উপপরিদর্শক (এসআই) জাহাঙ্গীর আলম জানান, গত ১ সেপ্টেম্বর রাত ১২টার দিকে খবর পেয়ে ভাড়া বাসা থেকে ওই বাবাকে আটক করা হয়। তিনি আমাদের কাছে মেয়েকে ধর্ষণের কথা স্বীকার করেছে। এখন ওই ব্যক্তি ফরিদপুর জেলহাজতে রয়েছে।

এসআই জাহাঙ্গীর আরো জানান, শনিবার দুপুরে ফরিদপুর মেডিকেল হাসপাতালের ওটিসিতে মেয়েটির ডাক্তারী পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। আর এ ঘটনায় তিনি নিজে বাদী হয়ে ২ সেপ্টেম্বর মামলা করেছেন।

ফরিদপুর মেডিকেল কলেজের ফরেনসিক মেডিসিন বিভাগের লেকচারার ডা. মো. নুরুল ইসলাম বলেন, ‘মেয়েটি তার আপন বাবার হাতে ধর্ষণের শিকার হওয়ার কথা জানিয়েছে। আমরা মেয়েটির প্রয়োজনীয় পরীক্ষা করেছি। ধর্ষণের ঘটনা সত্যি বলে আমাদের কাছে মনে হয়েছে।’

এদিকে মেয়েটির তেমন কেউ না থাকায় তাকে ফরিদপুর মহিলা ও শিশু কিশোরী হেফাজতীদের নিরাপদ আবাসন কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে বলে জানান এসআই জাহাঙ্গীর।