ষষ্ঠ বারের মতো সিলেটবাসী বর্ণমালার মিছিল দিয়ে বরণ করে নিলেন ভাষার মাস ফেব্রুয়ারিকে।
এসময় লাল-সবুজের পতাকা আর হাতে হাতে সুশোভিত ‘অ, আ, ক, খ’ বর্ণমালা এবং ১৯৫২, ১৯৭১ লেখা প্ল্যাকার্ড নিয়ে এই মিছিলে অংশ নেন সিলেটের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার শতাধিক মানুষ।
শুক্রবার (১ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১০টায় সম্মিলিত নাট্য পরিষদ, সিলেটের আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয় বর্ণাঢ্য এই বর্ণমালার মিছিল। বর্ণমালার মিছিলটি বন্দর বাজারের জেলা পরিষদ প্রাঙ্গণ থেকে শুরু হয়ে নগরীর প্রধান সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে সিলেট কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে এসে শেষ হয়। এ সময় শহিদ মিনারে মিছিলটিকে ছন্দ নৃত্যালয়ের নৃত্যশিল্পীরা ভাষার গানের সাথে নৃত্য পরিবেশন করে বরণ করে নেয়।
এছাড়া ভাষা দিবস উপলক্ষে শহরের বিভিন্ন সড়কের পাশে দেয়ালে চিত্রাঙ্কনের মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে ৫২’র ভাষা আন্দোলনের সেই দিনগুলো।
প্রতিবছর ভাষা সৈনিক অধ্যাপক মো. আব্দুল আজিজ বর্ণমালার মিছিলের শুভ সূচনা করলেও এবার তিনি অসুস্থতার কারণে উপস্থিত থাকতে পারেননি বলে জানিয়েছেন সম্মিলিত নাট্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রজত কান্তি গুপ্ত।
মিছিলে উপস্থিত ছিলেন- সাংস্কৃতিক সংগঠক মহানগর মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার ভবতোষ রায় বর্মণ, ব্যারিস্টার আরশ আলী, সিনিয়র সাংবাদিক আল আজাদ, আবৃতি সংগঠন উর্বশির প্রধান আবৃত্তিকার মোকাদ্দেছ বাবুল, মদন মোহন কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ অধ্যাপক সর্বানী অর্জুন, নাট্য পরিষদের অরিন্দম দত্ত, সম্মিলিত নাট্য পরিষদের সভাপতি মিশফাক আহমদ মিশু, সাধারণ সম্পাদক রজত কান্তি গুপ্ত, প্রভাষক প্রণব কান্তি দেব প্রমুখ।
সম্মিলিত নাট্য পরিষদ, সিলেটের সভাপতি মিশফাক আহমদ চৌধুরী মিশুর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক রজত কান্তি গুপ্তের সঞ্চালনায় সিলেট কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিভিন্ন শ্রেণি পেশার প্রতিনিধিরা বক্তব্য দেন।
আয়োজক সংগঠন সম্মিলিত নাট্য পরিষদ, সিলেটের সভাপতি মিশফাক আহমদ চৌধুরী মিশু বলেন, এটি বর্ণমালার মিছিলের ষষ্ঠ বারের আয়োজন। আমরা প্রতিবছর এই আয়োজনটি করি মূলত দু’টি উদ্দেশ্যে। একটি হলো মহান ভাষা শহীদদের স্মরণ করা এবং অন্যটি হলো নতুন প্রজন্মের সামনে আমাদের মহান ভাষা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস তুলে ধরতে।
-সময়ের সংলাপ২৪/ডি-এইচ

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন